অন্য প্রাণীদের গানের গড়ন আর ভাষা

প্যানেল (a) একটি পুরুষ নাইটিঙ্গেলের রাতের গানের ২ মিনিটের একটি বর্ণালী চিত্র। দেখানো হয়েছে ৩০টি ক্রমে ছড়ানো একটি গান। ৩১- তম গানটি দ্বিতীয়টির মতো একই গানের ধরনের (দু’টোই ফ্রেম দিয়ে দেখান হয়েছে)। একজন পুরুষ পাখির ভাণ্ডারে গড়ে প্রায় ১৫০টি অনন্য গানের ধরন থাকে, যা পরিবর্তনশীল কিন্তু অ-এলোমেলো ক্রমে ঘণ্টার পর ঘণ্টা গাওয়া হতে পারে।
প্যানেল (b) একটি গানের প্রকারের কাঠামোগত উপাদানগুলিকে দেখায়। স্বতন্ত্র শব্দ উপাদানগুলি বিভিন্ন তীক্ষ্ণতায় গাওয়া হয় একটি বিস্তৃত মোড়কে (এম্পলিটিউড এনভেলপ) (i)) এবং কম্পাঙ্কের ক্রমানুসারে (ফ্রিকোয়েন্সি রেঞ্জ), সামঞ্জস্য (মড্যুলেশন), জোর এবং সময়গত (টেম্পোরাল) বৈশিষ্ট্য নিয়ে। ((ii) বর্ণালি বিশ্লেষণে (স্পেকট্রোগ্রাম) তারা ধ্বনিগতভাবে স্বতন্ত্র।
প্যানেল (c) তিনটি ভিন্ন ধরনের গানের (i, ii, iii) কাঠামোগত মিলকে দেখাচ্ছে। গানের ধরনগুলি সাধারণত এক বা একাধিক খুব মৃদুভাবে গাওয়া উপাদান নিয়ে শুরু হয় (নীল, b), পরিবর্তনশীল তীক্ষ্ণতার স্বতন্ত্র উপাদানগুলি একটি ক্রম অনুসরণ করে (সবুজ)। সমস্ত গানের ধরনগুলিতে উচ্চস্বরে স্বর পুনরাবৃত্তির এক বা একাধিক ক্রম থাকে (গোলাপী) এবং সাধারণত একটি একক, ধ্বনিগতভাবে স্বতন্ত্র উপাদান (হলুদ) নিয়ে শেষ হয়।
প্যানেল (d) ব্যাখ্যা করে যে একই গানের ধরন (i,ii) পুনরাবৃত্তি বিভাগে (গোলাপী) উপাদান পুনরাবৃত্তির সংখ্যার মধ্যে বদলে যেতে পারে। (এই স্পেক্ট্রোগ্রাম হেনরিক হালসের (Henrike Hultsch) সৌজন্যে। অন্যান্য প্রাণীদের গানেও একইরকম পুনরাবৃত্তির ক্রম এবং কাঠামোগত বৈশিষ্ট্য আছে; যাদের জটিলতার মাত্রা আলাদা আলাদা।)
