অন্য প্রাণীদের উপর সঙ্গীতের প্রভাব ও চিকিৎসা

প্রাণীদের সংকেতের ডাক শুনে তাদের শারীরিক ও মানসিক অবস্থা সম্পর্কে তথ্য জানা যায়। আর এই সংকেতগুলি প্রয়োগ করে আবেগ সংক্রামণের মাধ্যমে অন্য প্রাণীদের আচরণ ও স্বাস্থ্যকে প্রভাবিত করতেও ব্যবহার করা যেতে পারে। মানব শ্রোতাদের যেমন সঙ্গীত শুনিয়ে মানসিক অবস্থাকে প্রভাবিত করা যায়; সেরকমই পোষা প্রাণী সহ বিভিন্ন বন্দী প্রজাতিদেরও রোগ বা মানসিক অস্থিরতা প্রশমনে সঙ্গীতের ব্যবহার হয়েছে।
যাইহোক, অন্য প্রাণীদের মঙ্গলকে প্রভাবিত করার জন্য সঙ্গীতের সফল ব্যবহার অবশ্যই প্রজাতির নিজস্ব যোগাযোগ সংকেতের কম্পাঙ্কের পরিসীমা, লয় ও তাদের প্রাকৃতিক যোগাযোগ সংকেতের ওপর ভিত্তি করে হতে হবে।
মানুষের রোগ নিরাময়ে সঙ্গীতের প্রয়োগের আগ্রহ গত পঞ্চাশ বছরে বেড়েছে। এই গবেষণাগুলির মধ্যে কিছু চিকিৎসার প্রয়োজনে সঙ্গীত চর্চায় সক্রিয়ভাবে জড়িত। অনেক গবেষণা শুধু গান বা বাজনা শুনিয়ে করা হয়েছে; কিছু গবেষণায় সঙ্গীতকে ওষুধ হিসেবেও ব্যবহার করা হয়েছে। অ্যালঝাইমার বা তীব্র ব্যথার শুশ্রুষায় সঙ্গীতের কার্যকারিতা সম্পর্কে অনেক গবেষণা ইতিবাচক প্রভাব দেখায়। মানুষের মধ্যে এই ধরনের প্রভাবের কারণে ভাবা হয়েছে যে সঙ্গীত অন্য প্রাণীদের ওপরও উপকারি প্রভাব ফেলতে পারে। বন্দী পরিবেশে প্রাণী কল্যাণ বা উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর জন্য গান বা বাজনা শোনানোর দিকে ক্রমশই বেশি মনোযোগ দেওয়া হচ্ছে।
