Life Science-জীববিজ্ঞান

অন্য প্রাণীদের উপর সঙ্গীতের প্রভাব ও চিকিৎসা

গবেষণা দেখায় যে বিড়ালরা “প্রজাতি-নির্দিষ্ট” ফ্রিকোয়েন্সি এবং টেম্পো পছন্দ করে যা বিড়ালের আদুরে ডাক এবং পাখির ডাকের অনুকরণ করে | সূত্রঃ www.smithsonianmag.com

বিড়ালের উপর করা একই ধরনের পরীক্ষায় দেখা যায় যে প্রথমে যে বিড়ালগুলি অস্থির অবস্থায় ছিল তারা গান শুনে শান্ত হয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর তারা সাড়াও দেয় স্পিকারের কাছে গিয়ে তাতে মুখ ঘষে বোঝা যায় মানুষের সঙ্গীতের তুলনায় বিড়ালের সঙ্গীতে আগ্রহ বেশি।

যদি সঙ্গীত অন্য প্রাণীদের জন্য শুধুমাত্র আওয়াজ হয়, তাহলে অ-সঙ্গীতমার্কা ধ্বনি বা বিভিন্ন ধরনের সঙ্গীত সব একই আচরণগত এবং শারীরবৃত্তীয় প্রভাব তৈরি করবে। প্রকৃতপক্ষে, অ-বাদ্যযন্ত্রের শব্দ প্রাণীদের ওপর উপকারী প্রভাব ফেলতে পারে। দেখা গেছে, রক্ত ​​সংগ্রহের সময় অপর্যায়বৃত (dissonant) বাজনা ম্যাকাওকে শান্ত করে, তাদের জ্ঞানীয় কর্মক্ষমতা উন্নত করে।

আসলে বন্দীদশায় থাকাকালীন কিছু শব্দ প্রাণীদের কানে ক্রমাগত আসে যেমন বায়ুচলাচল, মানুষের কার্যকলাপ, নির্মাণ, বিল্ডিং রক্ষণাবেক্ষণ ইত্যাদি। যেহেতু এই শব্দগুলি প্রাণীদের ওপর চাপ তৈরি করে; সঙ্গীত, পরিবেশের এই অবাঞ্ছিত শব্দগুলিকে (শব্দ আচ্ছাদন প্রকল্প বা অ্যাকাউস্টিক মাস্কিং হাইপোথিসিস/Acoustic Masking Hypothesis) চাপা দিয়ে তাদের স্বস্তি দেয়। এই প্রকল্পটির মাধ্যমে বঝা যায় যে প্রাণীদের মোটেও মানুষের মতো সঙ্গীতকে উপলব্ধি করার প্রয়োজন নেই, কারণ সঙ্গীত তাদের কাছে কেবলমাত্র অন্যরকম শব্দ হতে পারে যা কম চাপযুক্ত এবং/অথবা বেশি সহনীয়।