বিজ্ঞান ও বিজ্ঞানী ই-পত্রিকা নববর্ষ ২০২৬ সংখ্যা

Rating: 4 out of 5.

PDF copy: 25.00 INR (excl. of tax)

ওয়েব ফর্ম্যাটের বাৎসরিক সাবস্ক্রিপশন
আলাদা করে পিডিএফ ফর্ম্যাটের একক সংখ্যা কিনুন (গুগুল প্লেবুক)
সুপারিশ করুন

সকল পাঠক, লেখক ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাই বাংলা নববর্ষের প্রীতি ও শুভেচ্ছা। ২০২৬ সালের এই দ্বিতীয় সংখ্যায় আমরা স্বাস্থ্যের উপর প্রযুক্তির বহুমাত্রিক প্রভাব নিয়ে বিভিন্ন লেখা সংকলন করেছি।

মানবসভ্যতার ইতিহাসে প্রযুক্তির অগ্রগতি সবসময়ই মানুষের জীবনকে নতুনভাবে গড়ে তুলেছে। কৃষি থেকে শিল্প, শিল্প থেকে তথ্যপ্রযুক্তি — প্রতিটি যুগেই প্রযুক্তি মানুষের জীবনযাত্রাকে সহজ করেছে। বর্তমান সময়ে সেই পরিবর্তনের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ প্রভাব দেখা যাচ্ছে স্বাস্থ্যক্ষেত্রে। আজকাল চিকিৎসা আর কেবল হাসপাতালের চার দেয়ালের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। স্মার্টফোন, ওয়্যারেবল ডিভাইস, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, টেলিমেডিসিন — এসব প্রযুক্তি আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে উঠেছে।

তবে প্রযুক্তির এই অগ্রগতির সঙ্গে কিছু চ্যালেঞ্জও রয়েছে। প্রযুক্তির উপর অতিমাত্রায় নির্ভরশীলতা উল্টে জীবনে বিপদও ডেকে আনতে পারে। যেমন বিশিষ্ট লেখক অরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়-এর কলমে রচিত গল্পবিজ্ঞান “কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ফাঁদে মানুষ” শীর্ষক প্রচ্ছদ প্রবন্ধে পতিতপবন বাবুর অভিজ্ঞতা আমাদের সেই আশঙ্কার দিকটিই সামনে আনে।

এছাড়া, বর্তমানে গুগলে রোগের উপসর্গ মিলিয়ে নিজের চিকিৎসা করার প্রবণতা কতটা ক্ষতিকারক হতে পারে এবং এর থেকে মুক্তির উপায় কী—তা নিয়ে বিশেষ নিবন্ধ “সাইবারকন্ড্রিয়া: গুগলে রোগ খোঁজার বিপদ” লিখেছেন সায়ন্তনী ব্যানার্জী।

এই সংখ্যায় আরও রয়েছে মানুষের উপকারী আবিষ্কার এবং স্বাস্থ্যক্ষেত্রে প্রযুক্তির ইতিবাচক ব্যবহারের উপর বিভিন্ন আলোচনা। পাশাপাশি এমন কিছু প্রশ্নও উত্থাপিত হয়েছে, যা আমাদের বারবার মনে করিয়ে দেয় — নতুন প্রযুক্তি মানুষের উন্নততর সেবা দেওয়ার উদ্দেশ্যেই আবিষ্কৃত হয়, ক্ষতি করার জন্য নয়।

আশা করি, এই লেখাগুলো পাঠকদের সামনে প্রযুক্তি ও স্বাস্থ্যের সম্পর্কের নতুন দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরবে এবং সচেতনতা বৃদ্ধি করবে। সুস্থ শরীর ও সুস্থ সমাজ গঠনে প্রযুক্তির এই সহযাত্রা যেন আরও মানবিক, আরও সচেতন ও আরও সমন্বিত হয়, এই কামনাতেই আমাদের এবারের প্রয়াস।

বিজ্ঞানমনস্কতায় ভরে উঠুক আপনাদের জীবন।

শুভেচ্ছান্তে,

সম্পাদক:- কমলবিকাশ বন্দ্যোপাধ্যায়
সহ-সম্পাদক:- সায়ন্তনী ব্যানার্জী


বিশেষ সংখ্যার বিষয়: স্বাস্থ্যের উপর প্রযুক্তির প্রভাব
এই সংখ্যায় প্রকাশিত সকল নিবন্ধই স্বাস্থ্যের উপর প্রযুক্তির প্রভাব সংক্রান্ত
প্রচ্ছদ নিবন্ধ
humans-in-trap-by-ai

কৃত্রিম বুদ্ধিমতার ফাঁদে মানুষ

অরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়

লেখক পরিচিতি
Arup-Bandyopadhyay

পদার্থবিদ্যা নিয়ে পড়াশুনো প্রথমে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে, পরে দিল্লী আই.আই.টিতে।বর্তমানে প্রায় তিন দশক ধরে দিল্লিতে কেন্দ্রীয় সরকারের অধীন একটি গবেষণাগারে বৈজ্ঞানিক পদে কর্মরত। বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় বিজ্ঞান বিষয়ে লেখার পাশাপাশি ছোটগল্প লেখেন।

প্রবন্ধটির বিষয়ে আরও জানুন

পতিতপবন বাবুর অভ্যেস রোজ সকালে নিয়ম করে চার মাইল হাঁটা। বাহাত্তরেও একদম ফিট। পতিতপবন বাবুর ছোট ছেলে বিদেশ থেকে একটা ঘড়ি এনে দিয়েছে, যেটা কবজিতে বেঁধে তিনি আজকাল হাঁটতে যান। ঘড়িটা স্মার্ট, মোবাইল ফোনের সঙ্গে ব্লুটুথ দিয়ে কানেক্ট করা যায়। ছেলেই সব শিখিয়ে দিয়েছে, আর তাতেই আনন্দে ডগমগ পতিতপবন বাবু ঘড়িটা বাইরে যাওয়ার সময় কবজিতে বাঁধতে ভোলেন না। এমনকি ঘুমের সময়েও হাত থেকে খুলে রাখতে ভুলে যান আজকাল। স্মার্ট ঘড়িটা মোবাইলে একটা অ্যাপে জানিয়ে দেয় শরীরের কলকবজা কেমন চলছে। মাঝে মাঝে সেই অ্যাপে দেখে নেন পতিতপবন – তাঁর হৃদযন্ত্র ঠিকঠাক চলছে তো! খুশি হয়ে পতিতপবন দেখেন, সব স্বাভাবিক চলছে।

কিন্তু বিপদ বাধল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ডাক্তারের চেম্বারে রুটিন ফলো-আপ করাতে গিয়ে। এই হাসপাতালে সব ডাক্তারের টেবিলে একটা ল্যাপটপ রাখা থাকে, পাশে একটা প্রিন্টার। এখানে কেউ হাতে লেখে না প্রেসক্রিপশন। সে ভালোই, ডাক্তারদের হাতের লেখা আর কবে কে-বা কোন কালে পড়তে পেরেছে!

ডক্টর রুদ্র হাসিমুখে অভ্যর্থনা করে বসতে বলে কম্পিউটার স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন, “বেশ তো ছিলেন! এখন দেখছি আপনার হার্ট ব্লকেজ হওয়ার সম্ভাবনা আছে। কয়েকটা টেস্ট করাতে হবে। আর হ্যাঁ, অ্যাঞ্জিওগ্রাম করে আমাকে দেখাবেন একবার। হার্ট স্পেশালিস্টকেও একবার দেখানো দরকার। তারপর না হয় ওষুধ লিখব।”

আপনি সাবস্ক্রাইবার হলে লগিন করে পুরো প্রবন্ধটি পড়ুন।

আমাদের ওয়েব ভার্সন সাবস্ক্রাইব করুন।

বিশেষ নিবন্ধ
cyberchondria

সাইবারকন্ড্রিয়া: গুগলে রোগ খোঁজার বিপদ

সায়ন্তনী ব্যানার্জী

লেখক পরিচিতি
Sayantani-Banerjee

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতোকোত্তর ডিগ্রি। বিজ্ঞাপন ও ডিজিটাল মার্কেটিং পেশায় যুক্ত। কন্টেন্ট রাইটার ও গ্রাফিক ডিজাইনার। পরিবেশ নিয়ে লিখতে ভালবাসেন।

প্রবন্ধটির বিষয়ে আরও জানুন

রমেন বাবু অনেক দিন ধরেই পেটে ব্যথা অনুভব করছিলেন। কিছু খেলেও ব্যথা বাড়ে, না খেলেও ব্যথা হয়। কিছু ঘরোয়া টোটকা, পথ্যি করেও ফল মেলে না। সমস্যার সমাধানে এগিয়ে আসে তাঁর ভাইঝি। জ্যাঠা মশাইকে সে বুদ্ধি দেয় গুগল বাবার শরনাপন্ন হতে। লক্ষণ মিলিয়ে গুগলে খুঁজলেই তো আজকাল কত কিছুর উত্তর মেলে। একবার দেখে নিয়ে মিলিয়ে নাও, তারপর ওষুধ খাও।

ভাইঝির কথা শুনে উৎসাহিত হয়ে সারাদিন ধরে রমেন বাবু নিজের রোগের লক্ষণ মিলিয়ে রোগ নির্ণয় করা শুরু করলেন। দিনের শেষে প্রায় নিশ্চিত হলেন তাঁর পেটে পেপ্টিক আলসার হয়েছে এবং তার থেকেই এত পেটে মুচড়ে ধরা ব্যথা এবং চাপ বা অস্বস্তি অনুভূত হয়। তিনি চিন্তিত হয়ে পরলেন। এই বয়সে আলসার হলে তো বিপদ। গুগল বলছে তাঁর আলসারটা নাকি প্রায় শেষ পর্যায় চলে এসেছে, অর্থাৎ ক্যান্সার স্টেজ। রমেনবাবু গেলেন ঘাবড়ে। দুশ্চিন্তায় ঘুম ছুটল, খাওয়াদাওয়া মাথায় উঠল তাঁর। শেষে ভীষণ রকম অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলেন। ডাক্তারবাবুকে হাতে পায়ে ধরে বললেন, “আমায় বাঁচান, আমার পেটে আলসার হয়েছে।” দুদিন পরে প্যাথলজি টেস্টে ধরা পড়ল ওনার গ্যাস ও পেট ফাঁপার রোগ হয়েছে, পেপ্টিক আলসার নয়।

বর্তমানে এটি অনেক স্বাস্থ্যসেবা পেশাজীবীর কাছে একটি ক্রমবর্ধমান উদ্বেগের বিষয়। কারণ, রমেনবাবুর মত এখন বহু রোগী ইন্টারনেটে গুগল বা চ্যাটজিপিটি-র মত এআই ব্যবহার করে সহজেই যেকোনো বিরল রোগ, অসুস্থতা বা শারীরিক অবস্থার উপসর্গ সম্পর্কে খোঁজ করতে পারেন। সেই তথ্য পড়ে অনেক সময় নিজেদের মধ্যেই এক ধরনের চিকিৎসা-সংক্রান্ত উদ্বেগ বা ভীতি (medical anxiety) তৈরি করে ফেলেন। এটি একটি মানসিক রোগ ছাড়া কিছুই নয়।

আপনি সাবস্ক্রাইবার হলে লগিন করে পুরো প্রবন্ধটি পড়ুন।

আমাদের ওয়েব ভার্সন সাবস্ক্রাইব করুন।

ধারাবাহিক নিবন্ধ
Drew Weissman and Katalin Kariko

mRNA বিপ্লবের নায়করা: ক্যাটালিন কারিকো ও ড্রু ওয়াইসম্যান

সুভদীপ দে

লেখক পরিচিতি
subhadip-dey

ডানপিটে খাদুর যেমন কেমিক্যাল দাদু ছিল, ছোটবেলা থেকেই আমার সঙ্গে ছিলেন গিরিডির সেই সাদা দাড়ি প্রফেসর। তারপর বড় হয়ে বিজ্ঞানের সঙ্গে যখন পরিচয়, সেটাকেও গল্পের মত পড়তে পড়তেই ভালো লেগে যায়। যাই হোক, সংক্ষেপে, আমিও বিজ্ঞানের গল্প বলারই চেষ্টা করছি।

প্রবন্ধটির বিষয়ে আরও জানুন

চিকিৎসাবিজ্ঞান ও প্রযুক্তির মেলবন্ধন বহুবার মানবসভ্যতাকে রক্ষা করেছে। একবিংশ শতকে এই জীবনদায়ী মেলবন্ধনের মাধ্যমে তৈরি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কারটি বোধহয় mRNA প্রযুক্তি। কিন্তু অদ্ভুত ব্যাপার, যে প্রযুক্তি মানবসভ্যতাকে COVID-19 ভ্যাকসিন এনে দিল এবং আবিষ্কর্তাদের নাম নোবেল প্রাপকদের ঐতিহাসিক তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করলো, সেই প্রযুক্তি বিষয়ক গবেষণা এই শতকের গোড়ার দিকেও অনুদানের অভাবে ধুঁকছিল।

mRNA সেই যুগান্তকারী আবিষ্কার, যার মাধ্যমে চিকিৎসকেরা শরীরের ভেতরে রোগ নিরাময়ের ওষুধ তৈরি করতে পারেন। অন্তত সেইটিই ছিল তত্ত্বকথা। কিন্তু ল্যাবরেটরিতে তৈরি mRNA শরীরে প্রবেশ করালে আমাদের শরীর বাধা সৃষ্টি করে, যার ফলে রোগীর শরীরে তীব্র প্রদাহ উদ্রেক হয়। এর ফলে গবেষণা শেষ করাও অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ে। ঠিক এই কারণে বহু বছর mRNA সংক্রান্ত গবেষণায় বিজ্ঞান তেমন সুবিধা করতে পারেনি।

কিন্তু প্রত্যেক বৈজ্ঞানিক সাফল্যের পেছনে লুকিয়ে থাকে বহু বছরের ব্যর্থতার খতিয়ান। mRNA-এর যুগান্তকারী আবিষ্কারের পেছনেও তাই ঘটেছে।

আপনি সাবস্ক্রাইবার হলে লগিন করে পুরো প্রবন্ধটি পড়ুন।

আমাদের ওয়েব ভার্সন সাবস্ক্রাইব করুন।

অন্যান্য নিবন্ধ
৪) স্বাস্থ্য সুরক্ষায় প্রযুক্তির ব্যবহার- দ্বৈরথ কি আসন্ন? – ডাঃ অরুণ চট্টোপাধ্যায়
৫) কম্পিউটারের স্ক্রিনে চোখ রাখলেই কেন শ্বাসপ্রশ্বাসের ছন্দ বদলে যায়? – অর্ণব
৬) ব্লু-লাইট ফিল্টারিং এবং সার্কাডিয়ান রিদম – বিজ্ঞান সাধক
৭) টেকনোলজির উত্থান ও মানুষের একাকিত্বঃ মানব জীবনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রভাব – রীয়া অধিকারী চট্টোপাধ্যায়
৮) আধুনিক প্রযুক্তি ও মানসিক স্বাস্থ্য – বিশ্ব রঞ্জন গোস্বামী
৯) টেলিহেলথ-এর সুবিধা ও অসুবিধা – সীমন রায়
১০) নবতর প্রযুক্তির প্রবেশ এবং চিকিৎসাবিজ্ঞানের চ্যালেঞ্জ – ড. ভূপতি চক্রবর্তী
১১) বায়োহ্যাকিং করে ঘরোয়া প্রযুক্তিতে সুস্থতা অর্জন – ঐন্দ্রিলা সাউ
বিজ্ঞানের টুকিটাকি
১) মানসিক স্বাস্থ্যে মেডিটেশন অ্যাপের ভূমিকা
২) ঘুমের বিজ্ঞান ও স্লিপ ট্র্যাকিং (Sleep Hygiene)
৩) মাইক্রোবায়োম এবং ব্রেন-গাট কানেকশন (Gut-brain axis)
৫) চেনা চেনা লাগে কী?
বিজ্ঞানের আবিষ্কার
শুভদীপ দে
১) Super ওবেসিটি ড্রাগ: রোগা হওয়ার সহজ উপায় ঠিক কতটা সহজ?
২) Implantable Heart Patch: হার্ট সারানোর ব্যান্ড এইড
৩) Casgevy: প্রথম জিন-এডিটিং থেরাপি
বি’ক্যুইজ
১) বি’ক্যুইজ
২) বিজ্ঞানের গোলকধাঁধা
পৃথিবী ও মহাবিশ্বের রেখাচিত্র
সম্পাদকের নিবেদন
১) বিশ্বস্বাস্থ্যের উপর মহাকাশ প্রযুক্তির প্রভাব
২) ভূগোল, পরিবেশ এবং তথ্য কীভাবে জনস্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটাতে পারে

সাধারণ নির্দেশাবলী অনুসরণ করতে হবে

  • কাস্টমার ডিটেইলস র্ম ফিল-আপ করুন ও আমাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি আপনার পেমেন্ট করুন। সেই সঙ্গে প্রমাণ হিসাবে অর্থপ্রদানের রসিদ সংযুক্ত করুন। আমাদের অ্যাকাউন্টে পেমেন্ট না আসা পর্যন্ত আপনার অর্ডার পাঠানো হবে না।
    Fill out the Customer details form. Make your payment directly into our bank account. Attach the payment receipt as proof. Your order will not be shipped until the funds have cleared in our account.
  • অর্ডার পাঠানোর ২৪ ঘন্টার মধ্যে অর্ডারটি প্রক্রিয়া করব। আপনি আমাদের পক্ষ থেকে পেমেন্ট রসিদ সহ ডাউনলোড লিঙ্ক পাবেন।
    We will process the order within 24 hours of placement. You will receive the download link along with the payment receipt from our side.
  • আপনার ব্যক্তিগত ডেটা আপনার অর্ডার প্রক্রিয়া করতে, এই ওয়েবসাইট জুড়ে আপনার অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করতে এবং আমাদের প্রাইভেসি পলিসিতে বর্ণিত অন্যান্য উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হবে।
    Your personal data will be used to process your order, support your experience throughout this website, and for other purposes described in our privacy policy.