Free ArticlesHealth-স্বাস্থ্যPopular Science-জনপ্রিয় বিজ্ঞান

আত্মহত্যা ও মস্তিষ্ক – ১ম পর্ব

Suicide-1

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হালের এক প্রতিবেদনে ভারতকে আত্মহত্যা-বিশ্বের রাজধানী বলা হয়েছে। বিশ্বের মোট আত্মহননের এক তৃতীয়াংশ সংঘটিত হয় ভারতবর্ষে। চীনদেশের মোট আত্মহত্যার সংখ্যার তুলনায় যা প্রায় দ্বিগুণ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্টে আরো জানা গেল যে, এই বিশ্ব-ভুবনে প্রতি বছর প্রায় দশ লক্ষ মানুষ আত্মহত্যা করেন। এর চেয়েও ১০-২০ গুণ মানুষ করেন আত্মহত্যার ব্যর্থ চেষ্টা।

আধুনিক কমপিউটারের জনক অ্যালান ট্যুরিং (১৯১২-১৯৫৪) | ছবি: Imperial War Museum

এই বিপুল সংখ্যক মানুষ যাঁরা প্রতি বছর আমাদের ছেড়ে চলে যাচ্ছেন তাঁরা কারা? এদের বয়স ভিন্ন, ধর্ম ভিন্ন, পেশা ভিন্ন, লিঙ্গ ভিন্ন, বৈভব ভিন্ন, মেধা ভিন্ন, সামাজিক প্রতিষ্ঠা ভিন্ন এবং মানসিকতাও ভিন্ন। কিন্তু একটি ব্যাপারে ওদের মধ্যে মিল আছে। ওরা সবাই মনুষ্য প্রজাতির সদস্য এবং ওরা সবাই যুক্তি মস্তিষ্কের অধিকারী। পশুর মস্তিষ্ক মানুষের মস্তিষ্কের মতো এত উন্নত নয় বলেই বোধ হয় ওরা আত্মহত্যা করে না।

আত্মহত্যার তালিকায় যেমন আছেন নোবেল জয়ী প্রতিভাবান, প্রথিতযশা বিজ্ঞানী, সফল সাহিত্যিক, কালজয়ী চিত্রকর তেমন আছেন সমাজের নিম্নবর্গীয় মানুষরা। নোবেল পদক পেয়েছেন বা পান নি এমন অনেক বিজ্ঞানীর কথা আমরা জানি যাঁরা আত্মহত্যা করেছিলেন।

এঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েক জন হলেন জার্মান রসায়নবিদ এমিল ফিশার ও ভিক্টর মেয়ার, ডেভিড কেলি, রসায়নবিদ নিকোলাস লেব্ল্যাঙ্ক, জার্মান স্নায়ুবিদ হ্যান্স বারগার, এফএম রেডিয়োর আবিষ্কর্তা পদার্থবিদ এডউইন আর্মস্ট্রং, নাইলনের আবিষ্কারক ওয়ালেস ক্যারোথার্স, আধুনিক কমপিউটারের জনক অ্যালান ট্যুরিং, চার্নোবিল দুর্ঘটনার তদন্তকারী রুশ বিজ্ঞানী ভ্যালেরি লেগাসভ এবং আরো অনেকে।

নোবেলজয়ী মার্কিন সাহিত্যিক আর্নেস্ট হেমিংওয়ে-ও আত্মহত্যা করেছিলেন। আমাদের ভাগ্য ভালো যে, বাংলার নোবেলজয়ী কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আত্মহত্যা করে বসেন নি যদিও একবার তাঁর ‘deliberately suicide’ করার ইচ্ছে জেগেছিল মনে। নামি, অনামি আরো কত লেখক, কবি, সাহিত্যিক যে আত্মহত্যা করেছেন তার তালিকা লিখে শেষ করা যাবে না।

রেনেশাঁ যুগের চিত্রশিল্পি ভিনসেন্ট ভ্যান গগ তো মাত্র সাঁইতিরিশ বছর বয়সে আত্মহত্যা করেছিলেন। শুধু চিত্রশিল্পি কেন –- আলোকচিত্রীও এই দলে আছেন। সঙ্গের ছবিটি দক্ষিণ আফ্রিকার আলোকচিত্রী কেভিন কার্টার সুদানে তুলেছিলেন। অসহায় বাচ্চাটির মা গিয়েছে ত্রাণ সংগ্রহে। আর শকুনটি অপেক্ষা করে আছে কখন মেয়েটি মরবে। এই ছবিটির জন্য পুলিৎজার পুরস্কার পেয়েছিলেন কার্টার। কিন্তু পুরস্কার পাওয়ার তিন মাসের মধ্যে তিনি আত্মহত্যা করেন। শিশুটির অসহায় অবস্থা তাড়িয়ে বেড়াত তাঁকে।

ছোট্ট এই মেয়েটি কখন মরবে তার অপেক্ষায় বসে আছে শকুনটি – পুলিৎজারজয়ী কেভিন কার্টারের তোলা ছবি | ছবি: 100photos.time.com

অনেক সম্রাট, রাজা, রাষ্ট্রনায়ক, সমরনায়ক, যোদ্ধা এবং অত্যাচারী শাসকও আত্মঘাতী হয়েছেন। শক্তিশালী রোম সাম্রাজ্যকে উৎখাত করতে কার্থেজ-এর যে ঐতিহাসিক যোদ্ধা অস্ত্র ধরেছিলেন সেই হানিবলও শেষ পর্যন্ত আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়েছিলেন। রোমের সম্রাট নীরো-ও আত্মঘাতী হয়েছিলেন। জার্মানীর রাজা সপ্তম হেনরীও ছিলেন একই পথের পথিক। রোমের সম্রাট জুলিয়াস সীজারের প্রেয়সী মিশরের রানি সপ্তম ক্লিয়োপেট্রাও আত্মহনন করেছিলেন। জার্মানির নাৎসী নায়ক হিটলার তো বার্লিনের এক ভূগর্ভ কক্ষে আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়েছিলেন। তার সঙ্গে আত্মঘাতী হয়েছিলেন তাঁর প্রচার সচিব গোয়েবল্‌স এবং সদ্য বিবাহিতা স্ত্রী ইভা ব্রন।

এই সব রাজা-রাজরাদের কথা ছেড়ে এবার আসা যাক সাধারণ ছা-পোষা মানুষদের কথায়। আত্মঘাতীদের তালিকায় এরাই সংখ্যাগুরু। পরীক্ষায় অসফল কিশোর-কিশোরী, প্রণয়ে প্রত্যাখ্যাত যুবক-যুবতী, পণের দাবী না মেটাতে পারা নববধু, শ্বশুরবাড়ির নির্যাতনে জর্জরিতা গৃহবধু, প্রভৃতিরাই তো আত্মঘাতীর তালিকার সিংহভাগ।

যুদ্ধে পরাজিত হানিবলকে রোমে ধরে নিয়ে গিয়ে জনসমক্ষে শাস্তি দেওয়া হবে – রোম সম্রাটের এই আদেশের পরে তিনি বিষ পান করে আত্মঘাতী হন। অত্যাচারী রোম সম্রাট নীরোর মৃত্যুর কারণও তাই। শোনা যায়, রোম যখন জ্বলছিল তখন তিনি রাজপ্রাসাদে বসে বেহালা বাজাচ্ছিলেন। রোমের সিনেট তাঁকে গদিচ্যুত করে পিটিয়ে মারার ফতোয়া দিলে তিনি আত্মহত্যা করেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মিত্রশক্তির কাছে হেরে গিয়ে হিটলার আত্মহত্যা করেছিলেন বিষ খেয়ে। বারংবার দুর্ঘটনার শিকার হয়ে এবং বিভিন্ন রোগে ভুগে মার্কিন সাহিত্যিক আর্নেস্ট হেমিংওয়ে যখন গুরুতর বিষাদের শিকার তখন তিনি আত্মহত্যা করেন মাথায় গুলি করে।

ইতিহাসের ছেঁড়া পাতা ঘেটে যেসব তথ্য পাওয়া গেল তাতে দেখা যাচ্ছে যে, রাজা থেকে ফকির অবধি সমাজের সর্ব স্তরের সব পেশার মানুষই আত্মহনন করেছেন। কেউ আত্নঘাতী হয়েছেন বিষ পান করে, কেউ বা কীটনাশক খেয়ে। অত্যধিক পরিমাণে ঘুমের ওষুধ খেয়েও অনেকে আত্মহত্যা করেন। পাশ্চাত্যের মানুষ বেশি আত্মহত্যা করেন বন্দুক-পিস্তল ব্যবহার করে, প্রাচ্যের মানুষ বেশি মরেণ ফাঁসিতে ঝুলে। গায়ে কেরোসিন তেল ঢেলে আগুন ধরিয়েও আমাদের দেশে অনেকে আত্মহনন করেন। ঝাঁপ দিয়েও কম লোক আত্মহত্যা করেন না।

প্রকরণ যাই হোক না কেন, আত্মঘাতীদের দলে আছেন সমাজের সর্ব স্তরের সর্ব পেশার মানুষ। রাজা-সম্রাটরা যেমন আছেন তেমন আছেন সর্বহারার দল। প্রতিভাবান মেধাবীরা যেমন আছেন তেমন আছেন স্বল্পমেধার মানুষও।

পদচ্যুতি, ক্ষমতাহানি, মর্যাদানাশ, শাস্তিভীতি, অর্থহানি যেমন আত্মহত্যার কারণ হতে পারে তেমন পারে বিভিন্ন ধরনের মনোরোগও। একটি সমীক্ষায় জানা যাচ্ছে যে, আত্মঘাতীদের মধ্যে শতকরা পঁচানব্বই জনই কোনো না কোনো মনোরোগে ভুগে থাকেন। এদের মধ্যে আবার শতকরা আশি ভাগই ভোগেন বিষাদরোগে, দশ ভাগ ভোগেন চিত্তভ্রংশী বাতুলতা বা সিজোফ্রেনিয়া রোগে এবং বাকি পাঁচ ভাগ ভোগেন ডিমেনসিয়া রোগে – যার বাংলা নাম চিত্তভ্রংশ। অর্থাৎ ডিপ্রেসন বা বিষাদরোগই আত্মঘাতীদের মধ্যে সব চেয়ে বেশি দেখা যায়।

অথচ প্রতিকুল পরিবেশকে অনুকুলিত করেই তো আমরা এই বিশ্বভুবনে টিকে থাকি। জীবনের আর এক নাম সংগ্রাম। লড়াইয়ে তো জয়-পরাজয় থাকেই। জীবন সংগ্রামে আপাত-পরাজিত সবাই কিন্তু আত্মহত্যার পথে হাঁটেন না। পুনরায় লড়াইয়ে নেমে জয়ের কেতন ওড়ান। কিন্তু সবাই তা পারেন না। তাঁরা আত্মহত্যার পথ বেছে নেন।

স্বভাবতই মনে প্রশ্ন জাগে, তাহলে কি মানব সমাজের কিছু সদস্যের মধ্যে আত্মহত্যার একটি প্রবণতা লুক্কায়িত থাকে? বিরূপ সামাজিক পরিবেশ তাকে উসকে দেয় – তাকে প্রলুব্ধ করে আত্মহত্যায়? হতাশা, অবসাদ, বিষাদ ও বিভিন্ন রকমের মানসিক ভারসাম্যহীনতায় তো আমাদের প্রত্যেকেই কোনো নো কোনো সময়ে কম বেশি ভুগে থাকি। তাহলে তো আমাদের সবারই আত্মহত্যা করার কথা!

আত্মঘাতীদের মধ্যে যদি আত্মহননের একটি প্রবণতা লুকানো থাকে তবে তার কারণ কি বংশগতি? না কি তাদের দেহের জিনভাণ্ডারের কোনো এক দল জিনের কুপ্রভাবেই তারা আত্মঘাতী হন? মনের আধার যে মস্তিষ্ক তার ক্রিয়াকলাপের কোনো বিকার কি আত্মহত্যা প্রবণতার জন্য দায়ী? না কি মস্তিষ্ক আছে বিশেষ কোনো ধরনের আত্মহত্যা স্নায়ুকোষ? যার নির্দেশে হবু আত্মঘাতী আত্মহননের পথ বেছে নেয়?

আত্মহত্যার কারণ নির্ণয়ে দুনিয়াজোড়া জোর গবেষণা চলছে। এই সব গবেষণা লব্ধ ফলাফলের সঙ্গ পাঠকের পরিচয় করানোই এই প্রবন্ধের মূল উদ্দেশ্য।

নোবেলজয়ী সাহিত্যিক আর্নেস্ট হেমিংওয়ে (১৮৯৯-১৯৬১) | ছবিঃ গুগুল

অন্যান্য মনোরোগের মতো আত্মহত্যা এবং আত্মহত্যা-প্রবণতার ও যে একটি বংশগত প্রবণতা থাকে তা ক্রমে ক্রমে জানা যাচ্ছে। ইতিহাসের পাতা ঘাঁটলেও এমন কিছু দৃষ্টান্তের খোঁজ মেলে। আর্নেস্ট হেমিংওয়ের বংশের চার প্রজন্মে মোট পাঁচ জন আত্মহত্যা করেছিলেন। ১৯৯৭ সালে সংঘটিত হেমিংওয়ের আত্মহত্যাটি ছিল বংশের পঞ্চম আত্মহত্যা। তার আগে তাঁর বাবা, ভাই, বোন ও এক নাতনি আত্মহত্যা করেছিল।

কবি ও লেখিকা সিলভিয়া প্লাথ এবং তাঁর পুত্র হিউজেস প্লাথও আত্মঘাতী হয়েছিলেন, যেমন হয়েছিলেন কবি জন বেরিম্যান ও তাঁর বাবা। নাটক-রচয়িতা স্প্ল্যান্ডিং গ্রে এবং তাঁর মা-ও আত্মহত্যা করেছিলেন।

বংশগতির ভূমিকায় সবচেয়ে বেশি আলোকপাত করেছে যমজ ও দত্তক সন্তানদের নিয়ে করা হালের গবেষণা। একই সময়ে একই গর্ভজাত দুটি সন্তানের যে কোনো একটিকে বলা হয যমজ। যমজ আবার দুই রকমের: অভিন্ন যমজ এবং ভিন্ন যমজ। যে যমজ জোড়ার দুটিই ছেলে বা দুটিই মেয়ে তারা হল অভিন্ন যমজ। এদের উৎপত্তি হয়েছে একটি ডিম্বাণু এবং একটি শুক্রাণুর মিলনের ফলে। অর্থাৎ এদের জিনগত গঠন হুবহু এক রকমের। যে যমজ জোড়ার একটি ছেলে এবং একটি মেয়ে তারা হল ভিন্ন যমজ। এরা তৈরি হয় আলাদা ডিম্বাণু ও আলাদা শুক্রাণুর মিলনের ফলে। ফলে এদের জিনগত গঠনও আলাদা।

যমজদের নিয়ে করা গবেষণাটি হয়েছে হালে – ১৯৯৯ সালে। গবেষণার বিষয়বস্তু ছিল ১৭৬ জোড়া যমজ যাদের অন্তত এক জন আগেই আত্মহত্যা করেছিল। এদের মধ্যে ৬২ জোড়া ছিল অভিন্ন যমজ, আর ১১৪ জোড়া ছিল ভিন্ন যমজ।

এই ১৭৬ জোড়া যমজের মধ্যে ছিল ৯ জোড়া যমজ যাদের উভয়েই আত্মহত্যা করেছিল। বিশ্লেষণে দেখা গেল যে, এই ৯ জোড়া যমজের মধ্যে ৭ জোড়া যমজ ছিল অভিন্ন যমজ; মাত্র দুই জোড়া ছিল ভিন্ন যমজ। অর্থাৎ যে যমজ জোড়ার জিনগত গঠন হুবহু এক রকম তাদের মধ্যে জোড়া আত্মহত্যার হার পরিসংখ্যানগত বিচারে তাৎপর্যময়।

যমজদের মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতা নিয়েও গবেষণা হয়েছে। আত্মহত্যা নয় কিন্তু আত্মহত্যার ব্যর্থ প্রচেষ্টা। এই গবেষণার বিষয় বস্তু ছিল ৩৫ জোড়া যমজ যাদের প্রতি জোড়ার এক জন আগেই আত্মহত্যা করেছিল। টিকে থাকা ৩৫ জনের মধ্যে ২৬ জন ছিল অভিন্ন যমজের দোসর; ৯ জন ছিল ভিন্ন যমজের দোসর। ওদের জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা গেল যে, ২৬ জন অভিন্ন যমজের দোসররা আত্মহত্যার ব্যর্থ চেষ্টা করেছিল। অথচ ৯ জন ভিন্ন যমজের দোসরদের কেউই আত্মহত্যার চেষ্টা করে নি। এটিও পরিসংখ্যানগত বিচারে তাৎপর্যপূর্ণ।

এবার আসা যাক দত্তক সন্তানদের আত্মহত্যার কথায়। দত্তক অর্থাৎ অন্যের সন্তানকে পোষ্য নেওয়া। গবেষণাটি হয়েছিল ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে। জন্ম-মৃত্যুর নথিনিবন্ধ ঘেঁটে ৫৪৮৩ টি নির্বাচিত দত্তকের মধ্যে ৫৭ জন আত্মহত্যা করেছে বলে জানা গেল। তুলনার স্বার্থে অন্য আরো ৫৭ জন দত্তককে নেওয়া হল যাদের কেউই আত্মহত্যা করে নি।

এবার এই দুই দলেরই ২৬৯ জন করে আত্মীয়কে খুঁজে বের করা হল। দেখা গেল যে, আত্মঘাতী দত্তকদের আত্মীয়দের ২৬৯ জনের মধ্যে ১২ জন আত্মহত্যা করেছে। অথচ আত্মহত্যা করে নি এমন দত্তকদের ২৬৯ জন আত্মীয়ের কেউই আত্মহত্যা করে নি।

আরো জানা গেল যে, এই দুই দল দত্তককে যাঁরা পোষ্য নিয়েছিলেন তাঁরা এবং তাঁদের আত্মীয়রা কেউই আত্মহত্যা করেন নি। একই সমাজে, একই পরিবেশে থেকেও এক দল মানুষ আত্মঘাতী হচ্ছেন অথচ অপর দল হচ্ছেন না। কী তার ব্যাখ্যা?

এই সব গবেষণা ও পর্যবেক্ষণ থেকে এটিই প্রমাণিত হয় যে, আত্মহত্যা ও আত্মহত্যা-প্রবণতার একটি বংশগত ভূমিকা আছে।

এটি আজ আমরা সবাই জানি যে, প্রাণীর বংশগত বৈশিষ্ট্যগুলিকে জিনোমের জিনই এক প্রজন্ম থেকে অপর প্রজন্মে বয়ে নিয়ে চলে। আত্মহত্যা ও আত্মহত্যা-প্রবণতার জন্যও তাহলে কি মানব জিনোমের এক বা একাধিক জিন দায়ী হতে পারে?


ড. নৃপেন ভৌমিক

অধ্যাপক ও বিভাগিয় প্রধান, শ্নায়ুশল্য বিভাগ, কেপিসি মেডিকাল কলেজ, কলকাতা