Environment-পরিবেশFree ArticlesPopular Science-জনপ্রিয় বিজ্ঞান

চিত্ত থেকে অসীমত্ব: পরিবেশের এক ভিন্ন ভৌত সংজ্ঞা

conscience-to-infinity

সর্বাপেক্ষা মৌলিক (Most fundamental) ভৌত (Physical) মাধ্যমটিকে (Medium) ভৌত বিজ্ঞান (Physical science) সম্ভবত, এখনও পর্যন্ত সনাক্ত (Detect) করতে পারেনি। তবে যোগবিজ্ঞানের (Yogic science) নির্দেশিকা অনুযায়ী মাধ্যমটির অভিজ্ঞতা নেওয়া সম্ভব বলে যোগবিজ্ঞান দাবি করে। এই ভৌত মাধ্যমটি হলো “অসীমত্ব”(Infinity)। যোগবিজ্ঞানে এই মাধ্যমকে “চিত্ত” (Consciousness) নামেও ডাকা হয়।

বর্তমান স্নায়ুবিজ্ঞান বলে যে, কোন মস্তিষ্ক যদি জীবিত থাকে, তবে সেই মস্তিষ্কের চেতন বা অচেতন অঞ্চলে কিছু না কিছু চিন্তন প্রক্রিয়া (Thought process) অবশ্যই চলতে থাকবে; কিন্তু যোগবিজ্ঞান দাবি করে যে, যোগবিজ্ঞানের নির্দেশিকা অনুযায়ী জীবন যাপন ও নিয়মিত যোগাভ্যাসের মাধ্যমে নিজের মস্তিষ্ককে নাকি এমন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব যে চাইলে মস্তিষ্কের জীবিত অবস্থাতেই মস্তিষ্ক থেকে সকল চিন্তন প্রক্রিয়া ঝেড়ে ফেলা সম্ভব।

কোন মস্তিষ্কের জীবিত অবস্থাতে যদি সেই মস্তিষ্ক নিজের মধ্যে কোন চিন্তন প্রক্রিয়াকে স্থান না দেয়, তবেই সেই মস্তিষ্ক নাকি অসীমত্ব মাধ্যমটির অভিজ্ঞতা পায়। যোগবিজ্ঞানে বলা এই অসীমত্ব মাধ্যমের অস্তিত্ব এবং এই মাধ্যমের বিশেষ কিছু ভৌত ধর্মকে স্বীকার করে নিয়ে ভৌত বিজ্ঞানের সাহায্যে পরিবেশের একটি সম্ভাব্য সংজ্ঞা তৈরি করার চেষ্টা করা যাক।

ধরা যাক, অসীমত্ব মাধ্যমটি অজস্র চলতরঙ্গ-কণা (Progressive wavicle) নিয়ে গঠিত। একটি চলতরঙ্গ-কণার রূপ দুই রকমের হতে পারে – ভার্চুয়াল চলতরঙ্গ (Virtual progressive wave) অথবা ভার্চুয়াল চলকণা (Virtual progressive particle)। ভার্চুয়াল চলতরঙ্গ হলো শক্তির (Energy) ক্ষুদ্রতম একক, আবার ভার্চুয়াল চলকণা হলো পদার্থের (Matter) ক্ষুদ্রতম একক। ভার্চুয়াল চলতরঙ্গ বা ভার্চুয়াল চলকণার রূপ নিয়ে থাকা অজস্র চলতরঙ্গ-কণা নিয়ে গঠিত অসীমত্ব মাধ্যমে দুটি ভার্চুয়াল চলকণার সংঘর্ষের (Collision) ফলে দুটি ভার্চুয়াল চলতরঙ্গ উৎপন্ন হয়।

আবার দুটি ভার্চুয়াল চলতরঙ্গ উপরিপাতিত (Superposition) হয়ে দুটি ভার্চুয়াল চলকণা উৎপন্ন হয়। অসীমত্ব মাধ্যমে এই দুই প্রকার ঘটনা অনবরত ঘটেই চলে। সেই কারণেই চলতরঙ্গ-কণার রূপ ভার্চুয়াল চলতরঙ্গ ও ভার্চুয়াল চলকণাতে এবং অসীমত্ব মাধ্যমের যে কোন অংশের প্রকৃতি শক্তি ও পদার্থতে পর্যায়ক্রমে পরিবর্তিত হতে থাকে। অসীমত্ব মাধ্যমের যে কোন অংশের প্রকৃতি পর্যায়ক্রমে শক্তি ও পদার্থতে পরিবর্তিত হতে থাকে বলেই অসীমত্ব মাধ্যমকে ইন্দ্রিয় বা কোন যন্ত্র দ্বারা এখনও পর্যন্ত সনাক্ত করা যায়নি।

যে কোন পর্যবেক্ষণের (Observation) ফলে সর্বব্যাপী এই অসীমত্ব মাধ্যমের অসংখ্য ভার্চুয়াল চলকণার জোড় নিজেদের মধ্যে সংঘর্ষে বাধাপ্রাপ্ত হয় ও অসংখ্য ভার্চুয়াল চলতরঙ্গের জোড় নিজেদের মধ্যে উপরিপাতিত হতে বাধা পায়। ফলে অসীমত্ব মাধ্যমের ঐ অসংখ্য ভার্চুয়াল চলতরঙ্গ ও ভার্চুয়াল চলকণা স্থায়ী হয়। কিছু স্থায়ী ভার্চুয়াল চলতরঙ্গ বিভিন্ন রকম সজ্জায় (Pattern) সজ্জিত হয়ে অনেক রকম ওয়েভপ্যাটার্ন বা তরঙ্গসজ্জা (Wave-pattern) তৈরি করে। এই এক এক রকম ওয়েভপ্যাটার্ন এক এক রকম শক্তি কণা (Energy particle) বা বোসন কণা (Boson particle) হিসাবে খ্যাত হয়েছে। আবার স্থায়ী ভার্চুয়াল চলকণাগুলি নিজেদের মধ্যে কিছু স্থায়ী ভার্চুয়াল চলতরঙ্গের আদান-প্রদানের মাধ্যমে একে অপরের সঙ্গে আবদ্ধ হয়ে বিভিন্ন রকম সজ্জায় সজ্জিত হয় ও অনেক রকম পার্টিকলপ্যাটার্ন বা কণাসজ্জা (Particle-pattern) তৈরি করে। এই এক এক রকম পার্টিকলপ্যাটার্ন এক এক রকম পদার্থ কণা (Matter particle) বা ফার্মিয়ন কণা (Fermion particle) হিসাবে পরিচয় পেয়েছে। অসীমত্ব মাধ্যমে তৈরি হওয়া এই প্যাটার্ন বা সজ্জাগুলিকেই একত্রে আমাদের মস্তিষ্ক “দেশ”(Space) হিসাবে ধারণা করে। আবার পর্যবেক্ষণের ফলে অসীমত্ব মাধ্যমের যে সকল ভার্চুয়াল চলতরঙ্গের জোড় ও ভার্চুয়াল চলকণার জোড় কোন বাধা পায় নি, সেগুলির পর্যায়ক্রমে উপরিপাতিত ও সংঘর্ষে লিপ্ত হয়ে চলার ঘটনাকে আমাদের মস্তিষ্ক “সময়”(Time) বা “সময়গত মাত্রা” (Temporal dimension) বলে ধারণা করে।

উপরের আলোচনা থেকে বোঝা যায় – শক্তি কণা ও পদার্থ কণা হলো দেশেরই অংশ বা এক্সটেনশন। সেইজন্য চেয়ার, টেবিল, কম্পিউটার, আমি, আপনি, গ্রহ, নক্ষত্র, নক্ষত্রমণ্ডল, পরমাণু, অণু – এগুলির প্রতিটিই হলো দেশের অংশ কারণ এগুলির প্রতিটিই গঠিত হয়েছে শক্তি কণা ও পদার্থ কণা নিয়ে। স্থায়ী ভার্চুয়াল চলকণাদের নিয়ে তৈরি হওয়া পার্টিকলপ্যাটার্ন বা কণাসজ্জা দুরকম হয় – বুনিয়াদি (Basic) ও যৌগিক (Composite)। কিন্তু স্থায়ী ভার্চুয়াল চলতরঙ্গদের নিয়ে গঠিত হওয়া ওয়েভপ্যাটার্ন বা তরঙ্গসজ্জা কেবল বুনিয়াদিই হয়। বুনিয়াদি সজ্জায় ভার্চুয়াল চলকণাগুলি বা ভার্চুয়াল চলতরঙ্গগুলি একটিই মাত্র নির্দিষ্ট নিয়মে সাজানো থাকে। আবার স্থায়ী ভার্চুয়াল চলকণাদের একাধিক অনন্য বুনিয়াদি সজ্জা (Unique basic pattern) নিয়ে এক একটি যৌগিক সজ্জা গঠিত হয়। বিভিন্ন রকম বুনিয়াদি পদার্থ কণাগুলি (Basic matter particle) অর্থাৎ ইলেক্ট্রন, ইলেক্ট্রন নিউট্রিনো, মিউয়ন, মিউয়ন নিউট্রিনো, টাউ, টাউ নিউট্রিনো, আপ কোয়ার্ক, ডাউন কোয়ার্ক, স্ট্রেঞ্জ কোয়ার্ক, চার্ম কোয়ার্ক, টপ কোয়ার্ক, বটম্ কোয়ার্ক, এবং এগুলির প্রতিটির অ্যান্টিপার্টিকল কিছু স্থায়ী ভার্চুয়াল চলকণা নিয়ে গঠিত এক একটি অনন্য বুনিয়াদি কণাসজ্জা (Unique basic particle-pattern) ছাড়া আর কিছুই নয়। একইরকমভাবে বিভিন্ন রকম শক্তি কণাগুলি যেমন ফোটন, ডব্লু পজিটিভ বোসন, ডব্লু নেগেটিভ বোসন, জেড্ বোসন, আট রকম গ্লুয়ন কণা, হিগ্স বোসন – প্রত্যেকটিই হলো কিছু সংখ্যক স্থায়ী ভার্চুয়াল চলতরঙ্গ নিয়ে গঠিত এক একটি অনন্য বুনিয়াদি তরঙ্গসজ্জা (Unique basic wave-pattern)।

প্রোটন কণা (যা দুটি আপ কোয়ার্ক কণা ও একটি ডাউন কোয়ার্ক কণা গ্লুয়ন কণার আদান-প্রদানের মাধ্যমে একে অপরের সঙ্গে আবদ্ধ হয়ে গঠিত হয়), নিউট্রন কণা (যা একটি আপ কোয়ার্ক কণা ও দুটি ডাউন কোয়ার্ক কণা গ্লুয়ন কণার আদান-প্রদানের মাধ্যমে একে অপরের সঙ্গে আবদ্ধ হয়ে গঠিত হয়) ইত্যাদি যৌগিক পদার্থ কণাগুলি (Composite matter particle) অথবা পরমাণু (যা কতগুলি প্রোটন, নিউট্রন, ও ইলেক্ট্রন কণা তাদের মধ্যে গ্লুয়ন কণা ও ফোটন কণা দেওয়া-নেওয়ার মাধ্যমে একে অপরের সঙ্গে আবদ্ধ হয়ে গঠিত হয়) হল কিছু সংখ্যক স্থায়ী ভার্চুয়াল চলকণা নিয়ে গঠিত এক একটি অনন্য যৌগিক কণাসজ্জার (Unique composite particle-pattern) উদাহরণ। স্থায়ী ভার্চুয়াল চলকণার কোন যৌগিক সজ্জায় যতগুলি অনন্য বুনিয়াদি সজ্জা থাকে তাকে আমাদের মস্তিষ্ক যৌগিক সজ্জাটির দৈশিক মাত্রার সংখ্যা (Number of spatial dimensions) হিসাবে ধারণা করে। অর্থাৎ স্থায়ী ভার্চুয়াল চলকণাদের বা স্থায়ী ভার্চুয়াল চলতরঙ্গদের যে কোন বুনিয়াদি সজ্জার কেবল একটি দৈশিক মাত্রা (One spatial dimension) আছে বলে আমাদের মস্তিষ্কের ধারণা হয়। একটি পরমাণু কিছু সংখ্যক আপ কোয়ার্ক কণা, কিছু সংখ্যক ডাউন কোয়ার্ক কণা, এবং কিছু সংখ্যক ইলেক্ট্রন কণা একে অপরের সঙ্গে আবদ্ধ হয়ে গঠিত হয়। আগেই বলেছি যে; আপ কোয়ার্ক কণা, ডাউন কোয়ার্ক কণা, ইলেক্ট্রন কণা হলো কিছু সংখ্যক স্থায়ী ভার্চুয়াল চলকণা নিয়ে গঠিত এক একটি অনন্য বুনিয়াদি কণাসজ্জা। ফলে পরমাণু হলো কতগুলি স্থায়ী ভার্চুয়াল চলকণা নিয়ে গঠিত এমনই এক যৌগিক কণাসজ্জা যার মধ্যে রয়েছে তিনটি অনন্য বুনিয়াদি কণাসজ্জা। তাই পরমাণুর দৈশিক মাত্রার সংখ্যা তিন, এবং পরমাণু নিয়ে গঠিত সকল বস্তুরই তিনটি দৈশিক মাত্রা (Three spatial dimensions) আছে বলে আমাদের মস্তিষ্কের ধারণা হয় !

উপরে আলোচিত তত্ত্বের সাথে সংগতি থাকতে হলে ভার্চুয়াল চলতরঙ্গ বা ভার্চুয়াল চলকণাকে আমাদের মস্তিষ্কের দৈশিক মাত্রাহীন (Spatially dimensionless) বলে ধারণা করা উচিত। হয়ত বাস্তবে আমাদের মস্তিষ্ক ভার্চুয়াল চলতরঙ্গ বা ভার্চুয়াল চলকণাকে দৈশিক মাত্রাহীন হিসাবে ধারণা করে বলেই ভৌত বিজ্ঞান আজও ভার্চুয়াল চলতরঙ্গ বা ভার্চুয়াল চলকণাকে সনাক্ত করতে পারেনি। তবে ভার্চুয়াল চলতরঙ্গকে দৈশিক মাত্রাহীন ভাবা যুক্তিযুক্ত নয় কারণ চলতরঙ্গের তরঙ্গদৈর্ঘ্য (Wavelength) থাকে। সুতরাং ভার্চুয়াল চলতরঙ্গের দৈশিক মাত্রা আছে তবে তার ধারণা করায় মানুষের মস্তিষ্ক বা মানুষের তৈরি কোন যন্ত্র অপারগ, অর্থাৎ সেই মাত্রা হলো সঙ্কুচিত অতিরিক্ত দৈশিক মাত্রা (Folded extra spatial dimension) যাকে চতুর্থ দৈশিক মাত্রাও (Fourth spatial dimension) বলা যেতে পারে। আমাদের মস্তিষ্ক চারটির থেকেও বেশী সংখ্যক অনন্য বুনিয়াদি কণাসজ্জা নিয়ে গঠিত কোন যৌগিক কণাসজ্জার সন্ধান পেলে বুঝতে হবে চারটিরও বেশী সংখ্যক দৈশিক মাত্রার অস্তিত্ব আছে।

উপরের আলোচনা থেকে আমরা বুঝি যে; কোন রকম বুনিয়াদি পদার্থ কণা হোক বা যৌগিক পদার্থ কণা বা শক্তি কণা অথবা গ্রহ, নক্ষত্রের মত কোন ম্যাক্রোস্কোপিক বস্তু – প্রতিটির মধ্যেই কিছু সংখ্যক ভার্চুয়াল চলতরঙ্গ থাকে। ঐ ভার্চুয়াল চলতরঙ্গগুলির কম্পাঙ্কের (Frequency) লব্ধি কম্পাঙ্ককেই (Resultant frequency) আমাদের মস্তিষ্ক যথাক্রমে বুনিয়াদি পদার্থ কণা বা যৌগিক পদার্থ কণা বা শক্তি কণা বা ম্যাক্রোস্কোপিক বস্তুটির স্থিতিভর (Rest mass) বলে ধারণা করে।

আমরা বুঝলাম, অসীমত্ব মাধ্যমের স্বাভাবিক অবস্থায় (Normal state) কোন মাত্রার (Dimension) অস্তিত্ব থাকে না। যে কোন কিছুকে পর্যবেক্ষণ করলেই অসীমত্ব মাধ্যমের স্বাভাবিক অবস্থা নষ্ট হয় এবং দৈশিক মাত্রা (Spatial dimension) ও সময়গত মাত্রার (Temporal dimension) জন্ম হয়। শুধু তাই নয়, দৈশিক মাত্রা ও সময়গত মাত্রার জন্ম হলে স্থায়ী ভার্চুয়াল চলতরঙ্গগুলির তরঙ্গদৈর্ঘ্য ক্রমাগত বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে দেশ (Space) ক্রমেই প্রসারিত হচ্ছে বলে মস্তিষ্কের ধারণা হয়। এমন অবস্থায় অসীমত্ব মাধ্যম নিজেই তার মধ্যে জন্ম নেওয়া দেশকে সঙ্কুচিত করে দৈশিক মাত্রা ও সময়গত মাত্রাকে নস্যাৎ করে তার নিজের স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসার প্রবণতা দেখায়। অসীমত্ব মাধ্যমের নিজের স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসার এই প্রবণতাকে মানুষের মস্তিষ্ক মহাকর্ষ (Gravity) হিসাবে ধারণা করে !

“পরিবেশ” শব্দটি হলো একটি সংস্কৃত শব্দ। সংস্কৃত ভাষায় শব্দটিকে বিশ্লেষণ করলে পাওয়া যায় – “পরি + বিশ্ + অ”। সংস্কৃত ভাষাতত্ত্ব অনুযায়ী “পরি” হলো একটি উপসর্গ যা “বিবিধ” অর্থে ব্যবহৃত হয় এবং “বিশ্” হলো একটি ধাতু যার অর্থ হলো “উপভোগ করা”। অর্থাৎ ইন্দ্রিয় বা যন্ত্র দ্বারা পর্যবেক্ষণের ফলে মানুষের মস্তিষ্ক দৈশিক মাত্রা, সময়গত মাত্রা, পদার্থ, পদার্থ কণা, শক্তি, শক্তি কণা, বস্তু, ভর, মহাকর্ষ ইত্যাদি বিবিধ বিষয়ে ধারণা করার মাধ্যমে সামগ্রিকভাবে যা উপভোগ করে তাই হলো মানুষের সাপেক্ষে “পরিবেশ”।


দিগন্ত পাল

বঙ্গীয় বিজ্ঞান পরিষদ থেকে অমলেশচন্দ্র তালুকদার স্মৃতি রৌপ্য পদকপ্রাপ্ত। আকাশবাণী কলকাতার একজন বিজ্ঞান-কথিকা লেখক ও শিল্পী। বিজ্ঞান প্রবন্ধ, বিজ্ঞান নিবন্ধ, কল্পবিজ্ঞান ভিত্তিক গল্প, কল্পবিজ্ঞান কবিতা, গাণিতিক কল্পকাহিনী, বিজ্ঞান নাটক, ও বিজ্ঞান কবিতা লেখেন।