বিজ্ঞান ও বিজ্ঞানী ই-পত্রিকা জানুয়ারি ২০২৬ সংখ্যা

Rating: 4 out of 5.

PDF copy: 25.00 INR (excl. of tax)

ওয়েব ফর্ম্যাটের বাৎসরিক সাবস্ক্রিপশন
আলাদা করে পিডিএফ ফর্ম্যাটের একক সংখ্যা কিনুন (গুগুল প্লেবুক)
সুপারিশ করুন

সকল পাঠক, লেখক ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাই ইংরেজি নতুন বছরের শুভেচ্ছা প্রীতি ও শুভেচ্ছা। ২০২৬ সালের এই প্রথম সংখ্যাটি আমরা সাজিয়েছি মহাকাশ বিজ্ঞানের এক রোমাঞ্চকর অধ্যায়— ‘গ্রহাণু’ বা অ্যাস্টেরয়েড নিয়ে।

এক সময় গ্রহাণুকে কেবল মহাকাশে ঘুরে বেড়ানো উদ্দেশ্যহীন পাথরের খণ্ড বলে মনে করা হতো। কিন্তু আধুনিক বিজ্ঞান বলছে ভিন্ন কথা। শ্রীযুক্ত কমলবিকাশ বন্দ্যোপাধ্যায় মহাশয়ের রচিত এবারের প্রচ্ছদ প্রবন্ধ মহাকাশে গুপ্তধনের সন্ধানঃ অ্যাস্টেরয়েড মাইনিং আমাদের দেখিয়েছে কীভাবে এই ভাসমান শিলাখণ্ডগুলো হয়ে উঠতে পারে ভবিষ্যতের খনিজ সম্পদের ভাণ্ডার। পৃথিবীর সীমিত সম্পদের বিকল্প হিসেবে গ্রহাণু থেকে প্ল্যাটিনাম, সোনা বা লোহার মতো মহামূল্যবান ধাতু আহরণ এখন আর কেবল বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনি নয়, বরং বাস্তবমুখী গবেষণার বিষয়।

এবারের সংখ্যায় গ্রহাণুর বিচিত্র জগৎকে তুলে ধরতে আমরা যোগ করেছি নানা বৈচিত্র্যময় প্রবন্ধ। গ্রহাণুর শ্রেণিবিভাগ থেকে শুরু করে সৌরজগতের সবচেয়ে অদ্ভুত ও রহস্যময় গ্রহাণুগুলোর কথা উঠে এসেছে লেখকদের কলমে। পাশাপাশি, পৃথিবীর নিরাপত্তার খাতিরে নাসা (NASA) এবং বিশ্বের অন্যান্য মহাকাশ সংস্থাগুলো কীভাবে দিনরাত এই গ্রহাণুগুলোর ওপর নজরদারি চালাচ্ছে, সেই প্রযুক্তির খুঁটিনাটি আলোচনা করা হয়েছে এই সংখ্যায়।

বিজ্ঞান শুধু জানার জন্য নয়, বিজ্ঞান হলো আগামীর স্বপ্ন দেখার সাহস। আশা করি, জানুয়ারি সংখ্যার এই আয়োজন আপনাদের মহাকাশ সম্পর্কে আরও কৌতূহলী করে তুলবে।
বিজ্ঞানমনস্কতায় ভরে উঠুক আপনাদের নতুন বছর।

শুভেচ্ছান্তে,

সম্পাদক:- কমলবিকাশ বন্দ্যোপাধ্যায়
সহ-সম্পাদক:- সায়ন্তনী ব্যানার্জী


বিশেষ সংখ্যার বিষয়: গ্রহাণু
এই সংখ্যায় প্রকাশিত সকল নিবন্ধই গ্রহাণু সংক্রান্ত
প্রচ্ছদ নিবন্ধ
asteroid-mining

মহাকাশে গুপ্তধনের সন্ধানঃ অ্যাস্টেরয়েড মাইনিং

কমলবিকাশ বন্দ্যোপাধ্যায়

লেখক পরিচিতি

জনপ্রিয় বিজ্ঞান ও অন্যান্য বিষয় নিয়ে লেখালেখি।

প্রবন্ধটির বিষয়ে আরও জানুন

শিল্পবিপ্লবের পর থেকেই মানব সভ্যতা দ্রুত গতিতে উন্নতির পথে এগিয়ে চলেছে। আর তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়ে চলেছে খনিজ ধাতু, বিরল মৌল, জ্বালানি, নির্মাণ উপাদান ইত্যাদির মতো প্রাকৃতিক সম্পদের চাহিদা। এই ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে মানুষ তার দৃষ্টি ঘুরিয়েছে নতুন নতুন উৎসের দিকে। প্রথমে ছিল বনভূমি ও নদী, তারপর সমুদ্র ও পৃথিবীর বুক চিরে সম্পদ আহরণ। বেহিসাবি প্রাকৃতিক সম্পদ আহোরণের সময় মানুষের খেয়াল ছিল না যে পৃথিবীর ভাঁড়ার সীমিত। কিছু কিছু খনিজ সম্পদ, বিশেষ করে জ্বালানি আগামী এক শতাব্দীর মধ্যেই শেষ হয়ে যাবে। তারপর?

এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই বিজ্ঞানীরা চোখ ঘুরিয়েছেন মহাশূন্যে ভেসে চলা গ্রহাণু বা অ্যাস্টেরয়েডের দিকে যেগুলোকে এক সময় মহাকাশের আবর্জনা বলে মনে করা হতো। এক সময় এদের কক্ষপথ নিয়ে অল্পবিস্তর গবষণা করা ছাড়া গ্রহাণুদের নিয়ে বিজ্ঞানীদের আর তেমন কোনো আগ্রহ ছিল না। কিন্তু বর্তমানে এই আবর্জনাগুলির ভিতরেই বিজ্ঞানীরা গুপ্তধনের সন্ধান পেয়েছেন কারণ সেখানে লুকিয়ে আছে অগাধ খনিজ সম্পদ ও বিরল উপাদান। এখন বাকি শুধু সেগুলি আহোরণ করা।

ঠিক এই জায়গা থেকেই জন্ম নিয়েছে গ্রহাণু খনন বা অ্যাস্টেরয়েড মাইনিং (Asteroid Mining) এর ধারণা অর্থাৎ, মহাশূন্যে ভাসমান গ্রহাণু থেকে খনিজ উত্তোলনের স্বপ্ন। এই পরিকল্পনা যদি কল্পবিজ্ঞানের স্তর থেকে বাস্তবে পরিণত হয় তাহলে শুরু হবে মানবসভ্যতার ইতিহাসে এক নতুন স্বর্ণযুগ। একে কেউ কেউ বলেন ‘স্পেস গোল্ড রাশ’ (Space Gold Rush)।

Asteroid-Belt-near-Jupiter
ছবির সূত্রঃ গুগুল

আপনি সাবস্ক্রাইবার হলে লগিন করে পুরো প্রবন্ধটি পড়ুন।

আমাদের ওয়েব ভার্সন সাবস্ক্রাইব করুন।

বিশেষ নিবন্ধ
NEOWISE

কীভাবে গ্রহাণুদের উপর নজরদারি করে নাসা?

সায়ন্তনী ব্যানার্জী

লেখক পরিচিতি
Sayantani-Banerjee

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতোকোত্তর ডিগ্রি। বিজ্ঞাপন ও ডিজিটাল মার্কেটিং পেশায় যুক্ত। কন্টেন্ট রাইটার ও গ্রাফিক ডিজাইনার। পরিবেশ নিয়ে লিখতে ভালবাসেন।

প্রবন্ধটির বিষয়ে আরও জানুন

১৯৯৮ সালের ১১ মার্চ কেমব্রিজ, ম্যাসাচুসেটসে অবস্থিত Minor Planet Center থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা পাঠানো হয় বিশ্বব্যাপী গ্রহাণু পর্যবেক্ষকদের একটি ছোট দলের কাছে। বার্তায় বলা হয়েছিল যে সদ্য আবিষ্কৃত গ্রহাণু 1997 XF11-এর নতুন পর্যবেক্ষণ তথ্য অনুযায়ী প্রায় অর্ধ-মাইল (প্রায় ১ কিলোমিটার) আকারের এই বস্তুটি ২০২৮ সালে পৃথিবীর সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হতে পারে এমন সম্ভাবনা রয়েছে। এই খবর দ্রুত বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। অধিকাংশ মিডিয়া সংস্থা প্রথমে বার্তাটিকে ঠিকভাবে বুঝতে পারেনি। ফলে ২০২৮ সালে গ্রহাণুর ধাক্কায় পৃথিবী বিপন্ন হবে এমন সম্ভাবনাটিকে বেশ বাড়াবাড়ি রকমের গুরুত্ব দিয়ে উপস্থাপন করেন তারা।

সৌভাগ্যবশত, পরবর্তীকালে নাসার জেট প্রপালশন ল্যাবরেটরি, পাসাডেনা, ক্যালিফোর্নিয়ার Solar System Dynamics দলের নেতা ডন ইয়োমান্স (Don Yeomans) এবং তাঁর সহকর্মী পল চোদাস (Paul Chodas) প্রাপ্ত গ্রহাণু পর্যবেক্ষণ তথ্য ব্যবহার করে আরও বিস্তারিত কক্ষপথ বিশ্লেষণ করেন এবং নিশ্চিত হন যে 1997 XF11 পৃথিবীর জন্য আদও কোনো বিপজ্জনক বস্তু নয়।

কিন্তু তাই বলে কি আর কখনও এমন সম্ভাবনা দেখা দেবে না, তার কী নিশ্চয়তা আছে? মহাকাশে চারিদিকে ঘুরে বেড়াচ্ছে নানারকম মহাজাগতিক বস্তু – ধূমকেতু, উল্কাপিণ্ড, গ্রহাণু, ইত্যাদি। এদের একটাও যদি পথভ্রষ্ট হয়ে পৃথিবীর বুকে আছড়ে পড়ে তাহলে ত্রাহি-ত্রাহি রব উঠে যাবে।

তাহলে উপায় কী? উপায় হলো এইসব মহাজাগতিক বস্তুদের গতিবিধির উপর নজরদারি বাড়ানো। আর সেই ব্যাপারে নাসা-র বিশেষ কিছু বিভাগ গোটা বিশ্বে অবস্থিত বিভিন্ন মান-মন্দির ও গবেষণাগারে সংগৃহীত তথ্যের সাহায্যে গ্রহাণু পর্যবেক্ষণ ও নজরদারিতে ব্যাপক কর্মসূচি পরিচালনা করে। ২০২৫-২৬ সালের বর্তমান প্রেক্ষাপটে এই নজরদারি ব্যবস্থা কিন্তু আগের চেয়ে অনেক বেশি উন্নত।

আপনি সাবস্ক্রাইবার হলে লগিন করে পুরো প্রবন্ধটি পড়ুন।

আমাদের ওয়েব ভার্সন সাবস্ক্রাইব করুন।

ধারাবাহিক নিবন্ধ
3-astronomers

নতুন যুগের বিজ্ঞানী – পর্ব ৮: তিন জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের কথা

সুভদীপ দে

লেখক পরিচিতি
subhadip-dey

ডানপিটে খাদুর যেমন কেমিক্যাল দাদু ছিল, ছোটবেলা থেকেই আমার সঙ্গে ছিলেন গিরিডির সেই সাদা দাড়ি প্রফেসর। তারপর বড় হয়ে বিজ্ঞানের সঙ্গে যখন পরিচয়, সেটাকেও গল্পের মত পড়তে পড়তেই ভালো লেগে যায়। যাই হোক, সংক্ষেপে, আমিও বিজ্ঞানের গল্প বলারই চেষ্টা করছি।

প্রবন্ধটির বিষয়ে আরও জানুন

তাকে নিয়ে করা Nele Dehnenkamp এর তথ্যচিত্রের একদম শুরুতেই কথাগুলো বলছিলেন আমিনা কারিমিয়া।

ঊনিশ’শ ছিয়ানব্বই-এর যুদ্ধবিধ্বস্ত আফগানিস্থান। একদিকে যখন পাশতুন থেকে উঠে এসে ইসলামিক মৌলবাদীরা দখল নিচ্ছে কাবুলের, প্রায় একই সময়ে পাশতুন থেকে কিছু দূরে আরেক মরুদ্যান শহর হেরাতে জন্মগ্রহণ করেন ছোট্ট আমিনা, বর্তমান পৃথিবীতে আফগান জ্যোতির্বিজ্ঞানের একমাত্র জ্বলন্ত অগ্নিশিখা। 

ছোট থেকেই আমিনা কারিমিয়া-র (Amena Karimyan) রাতের আকাশ নিয়ে বিশেষ আগ্রহী ছিলেন। বিশেষতঃ পৃথিবীর ওই ছোট্ট হলুদ উপগ্রহটিকে নিয়ে তার ছিল হাজারো প্রশ্ন। কিন্তু উত্তর কোথায়? গৃহযুদ্ধ-পরবর্তী কাবুলে তখন ধর্মান্ধ মৌলবাদী শরীয়ার মাধ্যমে সহি ইসলামিক রাষ্ট্র গঠনে মগ্ন। সেখানে মেয়েদের পড়াশোনা করাই বেআইনি, আর যারা সেই তালিবানি আইন লঙ্ঘনের দুঃসাহস করেন, তাদের শাস্তি যে ঠিক কি, গোটা বিশ্বের কাছে তার জীবন্ত নিদর্শন হয়ে রয়েছেন মালালা ইউসুফজাই। 

তবুও হেরে যান না আমিনা। হাল না ছেড়ে তার ছোট্টবেলার প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজতে খুঁজতে একসময় এসে পৌঁছান উচ্চশিক্ষার দরজায়। তিনি চেয়েছিলেন জ্যোতির্বিজ্ঞানী হতে। কিন্তু আফগানিস্থানে সেই সুবিধা না থাকায় তিনি হেরাত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সিভিল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে স্নাতক হন। আমিনার নিজের কথায় তার স্নাতকের বিষয় হিসেবে ইঞ্জিনিয়ারিং নির্বাচন করার একমাত্র কারণ ছিল বিভিন্ন দেশের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা গুলিতে স্নাতকোত্তীর্ণ ইঞ্জিনিয়ারদের শূন্যপদ। 

আপনি সাবস্ক্রাইবার হলে লগিন করে পুরো প্রবন্ধটি পড়ুন।

আমাদের ওয়েব ভার্সন সাবস্ক্রাইব করুন।

অন্যান্য নিবন্ধ
৪) পাথুরে ইতিহাস: কী দিয়ে তৈরি এই মহাজাগতিক পিন্ডগুলো? – অর্ণব
৫) চারিকলো: সৌরজগতের এক রহস্যময় বলয়ধারী সেন্টর – বিজ্ঞান সাধক
৬) পৃথিবীর নিকটবর্তী গ্রহাণুদের বিষয় কিছু কথা – শুভম রায়
৭) অতঃ গ্রহাণু কথা – ডাঃ অরুণ চট্টোপাধ্যায়
৮) মহাজাগতিক বিস্ময় এস্টারয়েড – ড. সৌমিত্র চৌধুরী
৯) কিছু গ্রহাণু কি আন্তঃনাক্ষত্রিক বাহক? – তপন কুমার গঙ্গোপাধ্যায়
বিজ্ঞানের টুকিটাকি
১) গ্রহাণু আবিষ্কারী দানবীয় ক্যামেরা Pan-STARRS
২) পৃথিবীর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার চূড়ান্ত সতর্ককারী নেটওয়ার্ক ATLAS
৩) পৃথিবীর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অন্যতম প্রধান স্তম্ভ Catalina Sky Survey
৪) গ্রহাণু থেকে ধূলিকণা সংগ্রাহক JAXA
৫) চেনা চেনা লাগে কী?
বিজ্ঞানের আবিষ্কার
১) অপটিক্যাল মাইনিং (Optical Mining)
২) কাইনেটিক ইমপ্যাক্টর প্রযুক্তি (Kinetic Impactor)
৩) স্বয়ংক্রিয় ট্র্যাকিং সিস্টেম (Sentry-II)
বি’ক্যুইজ
১) বি’ক্যুইজ
২) বিজ্ঞানের গোলকধাঁধা
পৃথিবী ও মহাবিশ্বের রেখাচিত্র
আজব গ্রহাণু
১) ক্লিওপেট্রা: মহাকাশে ভাসমান লোহার হাড় – সায়ন্তনী ব্যানার্জী
২) বরফের গুদাম থেমিস – সায়ন্তনী ব্যানার্জী
৩) টোওটাটিস – মহাকাশের পাগলা চিনাবাদাম – সায়ন্তনী ব্যানার্জী
৪) অন্ধকারের দেবতা এ্যাপোফিস – সায়ন্তনী ব্যানার্জী
পৃথিবীর বুকে গ্রহাণুদের উৎপাত
১) বিধ্বংসী চিক্সুলুবের ঘটনা – রীয়া অধিকারী
২) তুঙ্গুস্কার রহস্যময় বিস্ফোরণ – রীয়া অধিকারী
৩) চেলিয়াবিনস্কের ঘটনা – রীয়া অধিকারী

সাধারণ নির্দেশাবলী অনুসরণ করতে হবে

  • কাস্টমার ডিটেইলস র্ম ফিল-আপ করুন ও আমাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি আপনার পেমেন্ট করুন। সেই সঙ্গে প্রমাণ হিসাবে অর্থপ্রদানের রসিদ সংযুক্ত করুন। আমাদের অ্যাকাউন্টে পেমেন্ট না আসা পর্যন্ত আপনার অর্ডার পাঠানো হবে না।
    Fill out the Customer details form. Make your payment directly into our bank account. Attach the payment receipt as proof. Your order will not be shipped until the funds have cleared in our account.
  • অর্ডার পাঠানোর ২৪ ঘন্টার মধ্যে অর্ডারটি প্রক্রিয়া করব। আপনি আমাদের পক্ষ থেকে পেমেন্ট রসিদ সহ ডাউনলোড লিঙ্ক পাবেন।
    We will process the order within 24 hours of placement. You will receive the download link along with the payment receipt from our side.
  • আপনার ব্যক্তিগত ডেটা আপনার অর্ডার প্রক্রিয়া করতে, এই ওয়েবসাইট জুড়ে আপনার অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করতে এবং আমাদের প্রাইভেসি পলিসিতে বর্ণিত অন্যান্য উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হবে।
    Your personal data will be used to process your order, support your experience throughout this website, and for other purposes described in our privacy policy.